Movatterモバイル変換


[0]ホーム

URL:


বিষয়বস্তুতে চলুন
উইকিপিডিয়াএকটি মুক্ত বিশ্বকোষ
অনুসন্ধান

ইজমা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
উসুলে ফিকহ
ইসলামধারাবাহিকের একটি অংশ
ফিকহ
আহকাম
ধর্মতত্ত্বীয় উপাধি

ইজমা (إجماع) একটি আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ কোন বিষয়ে সকল ‍জনগণ একমত হওয়া।[]ইমাম যুবাইদী হানাফী বলেনঃ “والا جماع أي اجماع الأمة : الاتفاق” এবং ইজমা অর্থাৎ উম্মাতের ইজমাঃ ঐকমত্য[]

হাদিস

[সম্পাদনা]

ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা আমার গোটা উম্মাতকে; অপর বর্ণনাতে তিনি বলেছেন, উম্মাতে মুহাম্মাদীকে কখনও পথভ্রষ্টতার উপর একত্রিত করবেন না। আল্লাহ তা’আলার হাত (রহমত ও সাহায্য) জামা’আতের উপর রয়েছে।

তিরমিযীঃ ২১৬৭, মিশকাত ১৭৩, সনদঃ সহীহ

এ হাদীসের ব্যাখ্যায়মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় আলেমগণ বলেন, এখানেজামাআত বলতে কুরআন ও সুন্নাহর অনুসারীদের বুঝানো হয়েছে, এবং সে কারণে কোরআন আর সুন্নাহ ব্যতীত আর কোন কিছুতেই সমগ্র মুসলিম উম্মাহ একমত হবে না।[]

ইসলামিক পরিভাষা

[সম্পাদনা]

ইমাম আবু হানীফা বলেন,"ইসলামী শরীয়াতের কোন হুকুমের ব্যাপারে একই যুগের সকল মুজতাহিদদের একমত হওয়াকে ইজমা বলে"।

ইজমা’র হুকুম

[সম্পাদনা]

মুসলিমদের নিকট এটি একটি শারঈ দলীল এবং এটি ত্যাগ করা গুনাহ এর কাজ। শায় খুল ইসলাম হাফেযইবনে তাইমিয়া বলেন,الْحَمْدُ لِلَّهِ، مَعْنَى الْإِجْمَاعِ: أَنْ تَجْتَمِعَ عُلَمَاءُ الْمُسْلِمِينَ عَلَى حُكْمٍ مِنْ الْأَحْكَامِ. وَإِذَا ثَبَتَ إجْمَاعُ الْأُمَّةِ عَلَى حُكْمٍ مِنْ الْأَحْكَامِ لَمْ يَكُنْ لِأَحَدِ أَنْ يَخْرُجَ عَنْ إجْمَاعِهِمْ؛ فَإِنَّ الْأُمَّةَ لَا تَجْتَمِعُ عَلَى ضَلَالَةٍ وَلَكِنْ كَثِيرٌ مِنْ الْمَسَائِلِ يَظُنُّ بَعْضُ النَّاسِ فِيهَا إجْمَاعًا وَلَا يَكُونُ الْأَمْرُ كَذَلِكَ بَلْ يَكُونُ الْقَوْلُ الْآخَرُ أَرْجَحَ فِي الْكِتَابِ وَالسُّنَّةِ.হামদ এবং ছানা আল্লাহ এর জন্য। ইজমা এর অর্থ এটা যে আহকামের ভেতর কোনো হুকুমের উপর মুসলমানদের ঐ ইমাম গুলো ঐকমত্য হয়ে যায় এবং যখন কোনো হুকুমের উপর উম্মতের ইজমা প্রমাণিত হয়ে যায় তবে কারো জন্য জায়েয নয় যে ঐ ইমামদের ইজমা থেকে বের হয়ে যায়। কারণ উম্মত কখনই গোমরাহীর উপর ঐকমত্য হতে পারে না , কিন্তু অনেক মাসায়েল এর উপর কিছু লোক ভাবে যে এর উপর ইজমা আছে কিন্তু আসলে ঐ মাসালায় ইজমা হয় নি এক্ষেত্রে কিতাব এবং সুন্নাতই বেশি অধিকার প্রাপ্ত।[]

এই নিবন্ধটিঅসম্পূর্ণ। আপনি চাইলেএটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. আল কামুসুল মুহীত (পৃঃ ৯১৭), আল মুজামু্ল ওয়াসিয়ত ( ১/১৩৫) এবং কামুসুল ওয়াহিদ (পৃঃ ২৮০
  2. তাজুল আরূস খন্ড ১১ পৃঃ৭৫
  3. উসূলুল ঈমান, লেখক: মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন আলিম, অনুবাদক : আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়া ও মঞ্জুরে ইলাহী, প্রকাশনায়: বাদশাহ ফাহাদ প্রিন্টিং প্রেস, সৌদি আরব। পৃষ্ঠাঃ ৪০০-৪০২
  4. আল ফাতোয়া আল কাবির খন্ড ১ পৃঃ ৪৮৪, মাজমু’উ ফাতোয়া খন্ড ২০ পৃঃ১০

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]
ক্ষেত্র
দর্শনশাস্ত্রের বিদ্যালয়
দার্শনিক
৯ম
১০ম
১১শ
১২শ
১৩শ
১৪শ
১৫শ
১৬শ
১৭শ
১৮শ
১৯শ
২০তম–২১শ
ধারণা
'https://bn.wikipedia.org/w/index.php?title=ইজমা&oldid=7097811' থেকে আনীত
বিষয়শ্রেণীসমূহ:
লুকানো বিষয়শ্রেণী:

[8]ページ先頭

©2009-2026 Movatter.jp